আদালতের বাইরে বিরোধ মিটলে সময় ও খরচ বাঁচে: আনিসুল হক

0
107

বিশিষ্ট আইনজীবী আনিসুল হক আওয়ামী লীগ সরকারের গত মেয়াদেও আইনমন্ত্রী ছিলেন। টানা দ্বিতীয়বারের মতো আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। মামলাজট এবং তা থেকে উত্তরণ, একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সংগঠন হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বিচারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খান।

আপনার মন্ত্রিত্বের ৫ বছরে মামলা ২৮ লাখ থেকে ৩৫ লাখে উঠেছে। কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

আনিসুল হক: মামলাজট নিরসনে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিছু কিছু আইনে পরিবর্তনও এনেছি। ন্যাশনাল লিগ্যাল এইড এবং অলটারনেটিভ ডিসপিউট রেজল্যুশন এডিআরকে (বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) গতিশীল করা হয়েছে। উপযুক্ত এডিআর নীতি আদালতকেই উদ্ভাবন করতে হবে। জনগণকে বোঝাতে হবে যে এর অনুসরণে সুফল অনেক বেশি। তা ছাড়া সব দেশেই মামলাজট আছে। পশ্চিমা দেশগুলোতে আদালতই বলেন, এই মামলা আমরা নেব না। এটা নিয়ে এডিআর করুন। আমাদের দণ্ডবিধিতে যেসব মামলা আপসযোগ্য, সেসব শুধু হয়রানি করার জন্য যাতে বছরের পর বছর পড়ে না থাকে, সে জন্য আমরা প্রসিকিউশনকে বলেছি। এ নিয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও কথা বলেছি। তিনিও একমত যে আপসযোগ্য মামলায় আদালত যেন এ রকম একটি অবস্থান নেন। তাহলে ছোটখাটো মামলা আর আদালতে আসবে না। খুনখারাবির মামলা আর কয়টি, এ ধরনের মামলাই তো বেশি, যার বেশির ভাগই হয়রানির জন্য দায়ের করা হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here