এনআরসিতে পশ্চিমবঙ্গের ‘না’: দিল্লিতে বাংলাভাষী মানেই বাংলাদেশী

0
13

ক্রাইম অনুসন্ধান ডেস্কঃ এনআরসি’কে রাজ্যের রাজনৈতিক প্রতিশোধ আখ্যায়িত করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তিনি কখনোই তার রাজ্যে বিজেপিকে এনআরসি করতে দেবেন না। এনআরসির মূল উদ্দেশ্য মুসলিমদের বাদ দেয়া। দিল্লিসহ গোটা ভারত বর্ষে বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা রাজ্যের সম্পদ গ্রাস করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। তারা এনআরসি করার মধ্য দিয়ে এমন নামে আখ্যায়িত করে ওইসব ‘বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের’ উৎখাত করতে চায়। রাজ্য বিধানসভায় এভাবেই এনআরসি ও বিজেপির বিরুদ্ধে গত শুক্রবার ক্ষোভ ঝাড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, এই ইস্যুতে একই অবস্থানে আছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতিশ কুমার। ১৮৪ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে এনআরসি নিয়ে বিধানসভায় মমতা বলেন, আমি নিতিশ কুমারের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে বলেছেন, তার রাজ্যেও এনআরসি করতে দেবেন না তিনি। অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে এ খবর পাওয়া যায়।মমতা বলেছেন, বিজেপি এটাকে (এনআরসি) হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে, বাঙালি ও অবাঙালি, বাঙালি ও রাজবংশীদের মধ্যে ফাটল ধরাতে। মমতার ভাষায়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার রাজনৈতিক প্রতিশোধ নেয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি প্রণয়নের কাজ শুরু করতে চায়। তারা চায় জনগণের মধ্যে দ্বিধা-বিভক্তি সৃষ্টি করতে। কিন্তু আমরা কখনোই বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করতে দেবো না এটা আমাদের ওয়াদা। তিনি আরো বলেন, কেন্দ্রীয় ‘অ্যাডভাইজরি’ দিয়ে পরিচালিত হয় গণতন্ত্রের সব ভিত্তি। এনআরসির তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে বহু প্রকৃত ভারতীয় নাগরিককে। আসাম চুক্তির অংশ হিসেবে আসামে এনআরসির নির্দেশনা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট- এ বিষয়ে একমত প্রকাশ করেন মমতা। তিনি বলেন, আসামে যা প্রযোজ্য তা পুরো দেশে প্রয়োগ করা যায় না।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here