পূবাইলে ভূমিদস্যু মোক্তারবাহিনীর অত্যাচারে মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিনের আর্তনাত!

0
6
পূবাইলে ভূমিদস্যু মোক্তারবাহিনীর অত্যাচারে মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিনের আর্তনাত!

মো: বশির আলম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি: টঙ্গীর ৪১নং ওয়ার্ড পূবাইল খিলগাঁও এলাকায় ভূমিদস্যুদের দৌরাত্বে অসহায় একটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। ভূমিদস্যুদের দখল বাণিজ্য কবলে পড়ে বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: মফিজ উদ্দিনের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক বেদখল করার জন্য স্থানীয় ভূমিদস্যু শেখ মোক্তার হোসেন, শেখ মুকুল হোসেন, মোক্তার হোসেন, শহীদুল ইসলামগংরা। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্ন ধরনের হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন ও তার পরিবার স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, আমাদের দীর্ঘ পূর্ব পুরুষের ওয়ারিশকৃত সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে খতিয়ান সিএস-১৫৮, এসএ-৩৩৪, আরএস-৩০৪, দাগ নং-সিএসও এসএ-১২৬, আরএস-২৭৩, মোট জমির পরিমাণ-২৭ শতাংশ ভোগদখল সত্তবান জমিতে চাষাবাদ ও গৃহ নির্মাণ করে বসবাস করে আসিতেছি। বর্তমানে স্থানীয় ভূমিদস্যু মোক্তার বাহিনীর কবলে পড়ে আমি এখন দিশেহারা।

এই বাহিনীর যোগসাজসে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ইং তারিখে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার মালিকানাধীন সম্পত্তি শেখ মোক্তার হোসেন প্রকৃত মালিক দাবী করিয়া জাল দলিলে কোটি টাকার জমি দখলের অভিযোগ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে। উক্ত সংবাদটি বাংলাদেশের চলমান ভূমি আইন পরিপন্থি ভাষা সংযোজন করিয়া ও দেওয়ানি আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে অবমাননা করে সংবাদটি প্রকাশ করেছে। এমনকি সংবাদটিতে বলা হয়েছে মফিজ উদ্দিনগংরা জালজালিয়াতি কাগজপত্র করে ভূমি অফিস থেকে নামজারী করে নেওয়া হয়েছে। এখানে প্রতিবেদক অন্ধকারে গোলা পানিতে মাছ স্বীকারের শামিল। জালিয়াতি যদি হয়ে থাকে কেন তিনি ওই কর্মকর্তার দুর্নীতি জালিয়াতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেননি কেন? অবৈধভাবে মালিকানা দাবীকৃত শেখ মোক্তারের মা নূরজাহান বেগম বাদী হয়ে গাজীপুর বিজ্ঞ আদালতে একটি পিটিশন মোকদ্দমা দায়ের করেন। যাহার নং-৫৪/১৮। উক্ত পিটিশন মামলাটি বিজ্ঞ আদালত খারিজ করে দেয়।

পরবর্তীতে ভূমিদস্যুরা প্রতারক চক্রটি আমাকে হয়রানির জন্য আবারো একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। যাহা আদালতে চলমান থাকা সত্ত্বেও মোক্তারগংরা বে-পরোয়া হয়ে বিভিন্ন সময় দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে লাঠিয়াল বাহিনীসহ উক্ত জমিতে দখল উচ্ছেদ করার জন্য মহড়া চালায়। এমনকি আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য সোস্যাল মিডিয়ায় নানা প্রকার অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সংবাদটিতে বলা হয়েছে আপন ভুবন রিসোর্টের কেয়ারটেকার রানা মোল্লার নামে জড়িয়ে সংবাদে উল্লেখ করেছে। প্রকৃত পক্ষে তাদের সাথে আমার কোন ধরনের শত্রুতা, লেনদেন, জমিজমাসংক্রান্ত কোন ধরনের সংখ্যতা নেই। ইহাতে আমার সামাজিক মানমর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা। এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করে মুক্তিযোদ্ধার সম্মানার্থে ব্যাপক আঘাত ও মান ক্ষুন্ন করেছে। আমি দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বিচার প্রার্থনা করছি। ভূমিদস্যু মোক্তার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here