বেসরকারি ভবন নির্মাণকালে তদারকি জরুরি

0
117

মো. সামছুজ্জামান ভূঁইয়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পদ থেকে সদ্য অবসর নিয়েছেন। চকবাজারের সাম্প্রতিক দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি ঢাকার শিল্প ও কলকারখানা পরিস্থিতি, সম্ভাব্য বিপদ ও করণীয় সম্পর্কে কথা বলেছেন সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান
ধু কারখানা নয়, প্রতিষ্ঠান তদারকির দায়ও আপনাদের। পুরান ঢাকার কারখানাগুলো কি সন্তোষজনক অবস্থায় আছে?

মো. সামছুজ্জামান ভূইয়া: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রাম—এই চার জেলায় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানাগুলো থাকায় এদিকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরকে বেশি নজর দিতে হয়; বলতে গেলে বর্তমানে কর্মরত ৩১২–এর বেশি পরিদর্শকের অর্ধেকের বেশি পরিদর্শক এই চার জেলায় কর্মরত। প্রত্যেক পরিদর্শকের প্রতি মাসে পরিদর্শনের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া আছে, যাঁর সংখ্যা ২৯টি; তার মধ্যে কারখানা ১৪টি ও দোকান-প্রতিষ্ঠান ১৫টি। কারখানা পরিদর্শনের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক কারখানায়ই বেশি সময় দিতে হয়; কারণ, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড/বায়ারদের দৃষ্টি এদিকে নিবদ্ধ আছে। সে কারণে আরএমজি সেক্টরের বাইরে পরিদর্শন অব্যাহত থাকলেও তা আরএমজি সেক্টরের মতো কর্মক্ষেত্র উন্নয়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। কারণ, সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে যে পুরান ঢাকায় বিভিন্ন ধরনের পাঁচ হাজারের বেশি ছোট ছোট কারখানা আছে, যেগুলো বিভিন্ন বাড়িতে গড়ে উঠেছে। এই সব আবাসিক ভবন কারখানা স্থাপনের জন্য কোনোভাবেই উপযুক্ত নয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here