মাদ্রাসাছাত্রীকে হত্যার পর মুখমণ্ডল পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা

0
40
মাদ্রাসাছাত্রীকে হত্যার পর মুখমণ্ডল পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা

ক্রাইম অনুসন্ধান ডেস্ক: নিখোঁজের দুদিন পর মাদারীপুর শহরের পাদকী এলাকা থেকে শনিবার এক অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই কিশোরীকে হত্যার পর মুখমণ্ডল পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। ফলে প্রথমদিন মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রবিবার (১৪ জুলাই) গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হওয়ার পরে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহত ওই কিশোরীর নাম দিপ্তী আক্তার (১৫)। সে মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনাচনা গ্রামের মজিবর ফকিরের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এর আগে শনিবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের পাকদী এলাকায় একটি পুকুরে এক কিশোরীর বিবস্ত্র মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দিপ্তী গত বুধবার সকালে মাদারীপুর মহরে বোনের বাড়ি বেড়াতে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বোনের বাড়ি থেকে গ্রামে বাড়ি রওয়ানা দেয়। এর পর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। শনিবার বিকালে শহরের পাকদী এলাকার একটি পুকুর থেকে একটি মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে স্বজনরা রোববার সকালে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে গিয়ে তার মরদেহ শনাক্ত করে।

নিহত কিশোরীর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মুখমণ্ডল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ঝলসে দেওয়া হয়েছে। পেটে উপর ছুরিকাঘাত করা রয়েছে।

নিহতের চাচা গোলাম মাওলা ফকির বলেন, দিপ্তী বুধবার বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিল। বেড়ানো শেষে বৃহস্পতিবার বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হয়। এর পর থেকে নিখোঁজ ছিল। পরে আমার খবর পাই একটি মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার হাসপাতালের মর্গে এসে মরদেহ দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত করি।

আমরা ধারণা করছি কেউ অপহরন করে নিয়ে গিয়ে দিপ্তীকে হত্যা করেছে। মেয়েটি মুখমণ্ডল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।

এ ব্যাপারে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা বলেন, কিশোরী পরিচয় পাওয়া গেছে। মামলা হবে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here