শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদের কর্মতৎপরতায় পাল্টে গেছে দৃশ্যপট।

0
4
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদের কর্মতৎপরতায় পাল্টে গেছে দৃশ্যপট।

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর প্রতিনিধিঃ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদ ২০১৮ ইং সালের ৩০ এপ্রিল সোমবার যোগদান করেন। ইউএনও হিসেবে ঝিনাইগাতী উপজেলায় যোগদানের পর থেকে উপজেলার অধিকাংশ অফিস থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের দুর্নীতি অনেকাংশেই কমে যায়। সেই সাথে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাজের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার জন্য জনপ্র্রতিনিধিদের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণমূলক বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন। এছাড়া বাল্যবিবাহ রোধ, উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলার বিষয়ে নজর রাখা, ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাস জমি বন্টন, অবৈধ ইট ভাটায় জরিমানা, বালু ও পাথর উত্তোলন বন্ধের বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ সভা এবং বন্য হাতির আক্রমন থেকে

সীমান্তবাসীকে রক্ষাকল্পে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন। বিশেষ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা, গারো আদিবাসী ও হতদরিদ্রদের প্রতি সুদৃষ্টি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়াও ঝিনাইগাতীর গারো পাহাড়ের বনাঞ্চলের গাছ চুরি ও অবৈধ জমি দখল বিষয়ে তার কঠোর নজরদারি রয়েছে। এখন আর আগের মত গারো পাহাড় থেকে সরকারী বনাঞ্চলের গাছ চুরি হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর অবদান, টিআর/কাবিটা কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ সহনীয় গৃহ নির্মাণ ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের প্রকল্পের আওতায় ঝিনাইগাতী উপজেলার হতদরিদ্রদের মাঝে ৪৩টি বাসগৃহ প্রদান করেছেন তিনি। প্রতিটি বাসগৃহ নির্মাণ বাবদ ব্যয় করা হয়েছে ২লক্ষ ৫৮হাজার টাকা। বাসগৃহগুলোতে ২টি করে রুম, রান্না ঘরসহ বাথরুমের ব্যবস্থা

রাখা হয়েছে। এ কাজের গুণগত মান যথেষ্ঠ ভালো হয়েছে বলে স্থানীয় চেয়ারম্যানগণ ইউএনওর প্রশংসা করেছেন। ইতিমধ্যেই ঝিনাইগাতী উপজেলায় বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। ঝিনাইগাতী উপজেলার বিভিন্ন অফিস ও শহরের একেবারেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীদের কাছে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, বর্তমান সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদ এর মত সৎ ও যোগ্য নির্বাহী অফিসার দীর্ঘদিন তার কর্মস্থলে থাকলে অনেকটাই ঝিনাইগাতীর সার্বিক অবস্থা পাল্টে যাবে। এরই ধারাবাহিকতা পরবর্তীতেও কার্যক্রম একই ভাবে চলবে বলে এলাকাবাসীর মন্তব্য। উপজেলা পর্যায়ে একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা যদি সৎ থাকে তবেই মানুষের ও সমাজ থেকে

দুর্নীতিমুক্তসহ পাল্টে যেতে পারে গোটা প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও সার্বিক চিত্র। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন অফিস আদালতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি অনেকাংশেই কমে গেছে। বেঁচে গেছে এলাকার জনসাধারণ। অনেকেই ইউএনও এর নিকট সরাসরি গিয়ে কাজ করে নিতে পেরে নিজেকে আনন্দিত মনে করেছেন। ইতিমধ্যেই ভেজাল খাদ্যের উপর ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ীদের জরিমানা আদায় করায় অধিকাংশ হোটেল রেস্তোরা ও ফলমূলের দোকানগুলোতে নিম্নমানের খাদ্যদ্রব্য বিক্রি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ঝিনাইগাতীতে ভেজাল খাদ্য অনেকাংশেই নেই বললেই চলে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেছেন। উল্লেখ্য, ইউএনও হিসেবে এটাই তার প্রথম কর্মস্থল। তিনি ৩০তম বিসিএস ক্যাডার।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here